
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মরদেহ এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসায় আনা হয়েছে। এখানেই সপরিবারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান থাকেন। পাশেই খালেদা জিয়ার বাসভবন ‘ফিরোজা’। তবে তার মরদেহ ফিরোজায় নেওয়ার কথা থাকলেও নেওয়া হয় তারেক রহমানের বাসায়।
আজ বুধবার সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় খালেদা জিয়ার মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি এসে পৌঁছায়। এর আগে ৯টার একটু আগে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে মরদেহ নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সটি যাত্রা শুরু করে।
এদিকে মরদেহ আনার কারণে গুলশান অ্যাভিনিউ সড়কের ১৯৬ নম্বর বাসভবন ও ফিরোজার আশপাশের এলাকায় সকাল থেকেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বাড়িটিকে ঘিরে রাখেন। ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে গুলশান অ্যাভিনিউ সড়ক। সড়কটি দিয়ে কোনো যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না।
এখানেই খালেদা জিয়াকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাবেন স্বজন ও দলীয় নেতাকর্মীরা। পরে তাকে জানাজার জন্য নেওয়া হবে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে। জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে তার স্বামী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে।
গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে ইন্তেকাল করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ৭৯ বছরের অর্জনপূর্ণ জীবনের অবসানেও তাঁর জন্য শোকস্তব্ধ বাংলাদেশ। শুধু কর্মী-সমর্থক নন, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী-প্রতিযোগী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন।