সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ: ২০২৬ সালে বাংলাদেশের ফসলের মাঠে লাঙলের জায়গা নিচ্ছে ড্রোন আর এআই রোবট। উৎপাদন বৃদ্ধি এবং খরচ কমাতে এই আধুনিক প্রযুক্তি এখন কৃষকের প্রধান ভরসা।
স্মার্ট ড্রোন: সেন্সরের মাধ্যমে ফসলের রোগ নির্ণয় এবং কেবল আক্রান্ত স্থানে সুনির্দিষ্টভাবে কীটনাশক স্প্রে করছে। এতে বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার ৪০% পর্যন্ত কমেছে।
এআই রোবট (Agri-Bot): শ্রমিক সংকট দূর করতে স্বয়ংক্রিয় রোবট এখন মাঠের আগাছা পরিষ্কার করছে।
আগাম পূর্বাভাস: স্যাটেলাইট ডাটার মাধ্যমে কৃষকরা এখন মোবাইলেই পাচ্ছেন পোকার আক্রমণ ও আবহাওয়ার সঠিক তথ্য।
খরচ হ্রাস: শ্রম ও উপকরণের অপচয় কমায় উৎপাদন খরচ প্রায় ২৫% কমেছে।
পরিবেশ সুরক্ষা: রাসায়নিকের সঠিক ব্যবহারের ফলে মাটি ও পানি দূষণ কমছে।
উচ্চ ফলন: আধুনিক তদারকির কারণে হেক্টর প্রতি ফসলের উৎপাদন আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।
বিশেষজ্ঞের কথা: "প্রযুক্তিগুলো সাশ্রয়ী মূল্যে প্রান্তিক কৃষকের কাছে পৌঁছাতে পারলে খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশ বিশ্বের মডেল হবে।" — ড. মাহফুজুল হক, কৃষি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ।
মন্তব্য করুন