Deleted
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:১৯ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

গাজা যুদ্ধবিরতি: মিয়ামিতে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র-কাতার-তুরস্ক-মিসর

গাজা যুদ্ধবিরতি: মিয়ামিতে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র-কাতার-তুরস্ক-মিসর

গাজায় যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার, তুরস্ক ও মিসরের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। শুক্রবার মিয়ামিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ কাতার, মিসর ও তুরস্কের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন বলে হোয়াইট হাউজের একজন কর্মকর্তা ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন।

চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে ইসরায়েলের গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার, হামাসের বদলে একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসনের হাতে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের শাসনভার দেওয়া এবং একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েনের কথা রয়েছে। তবে ওয়াশিংটন ও আঞ্চলিক মিত্রদের মধ্যস্থতায় গত অক্টোবরে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে হওয়া চুক্তির পরবর্তী ধাপে অগ্রগতি এখন পর্যন্ত ধীরগতির।

তুরস্ক জানিয়েছে, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এই আলোচনায় অংশ নেবেন। অ্যাক্সিওসের খবরে বলা হয়েছে, কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি এবং মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তিও বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।

বুধবার এক ভাষণে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান বলেছিলেন, গাজায় যা ঘটছে তা যেন ভুলে যাওয়া না হয় এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়। এ জন্য তুরস্ক সব ফ্রন্টে দৃঢ়ভাবে লড়াই চালিয়ে যাবে।

অন্যদিকে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতা এগিয়ে নিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উদ্যোগের অংশ হিসেবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আগামী ২৯ ডিসেম্বর ফ্লোরিডার মার-আ-লাগো রিসোর্টে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন।

বুধবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক টেলিভিশন ভাষণে ট্রাম্প বলেছেন, গাজা যুদ্ধবিরতি মধ্যপ্রাচ্যে ৩ হাজার বছরে প্রথমবারের মতো শান্তি এনেছে। তবে বাস্তবে যুদ্ধবিরতি এখনও ভঙ্গুর। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলছে, আর মধ্যস্থতাকারীরা আশঙ্কা করছেন যে, ইসরায়েল ও হামাস দু’পক্ষই সময় ক্ষেপণ করছে।

গত সপ্তাহে গাজা উপত্যকায় হামাসের সামরিক শাখার অস্ত্র উৎপাদন বিভাগের প্রধানকে হত্যার দাবি করে ইসরায়েল। এ ঘটনায় যুদ্ধবিরতি ঝুঁকিতে পড়তে পারে, এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প।

গাজা যুদ্ধের অবসানে যে চুক্তি হয়, তার পেছনে শাটল কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। এই দুজন একই সঙ্গে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন বন্ধের আলোচনাতেও যুক্ত রয়েছেন। আগামী সপ্তাহে মিয়ামিতে তারা রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন বলে জানানো হয়েছে।

আইএ/সকালবেলা

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সাবেক কাউন্সিলর বাপ্পির নির্দেশে হা‌দি হত‌্যাকাণ্ড: ডিবি

1

২০ শতাংশ ভাতার দাবিতে উত্তাল সচিবালয়, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ

2

সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার আর

3

চিলির নির্বাচনে কট্টর ডানপন্থি নেতার জয়লাভ

4

সরকারি যোগাযোগে গণভোটের লোগো ব্যবহারের নির্দেশ

5

৩০০ আসনেই প্রার্থী নিশ্চিত করে সরকার গঠন করবঃ তাহেরী

6

দেশে আসলো ২০২৬ বিশ্বকাপের ফুটবল ট্রফি

7

ফাতেমার দেড় দশকের এক মানবিক ও অনুগত ইতিহাসের অবসান

8

জামায়াতের কক্সবাজার-২ আসনের প্রার্থী আজাদের মনোনয়ন বাতিল

9

প্রকৃত সংবাদকর্মীদের কল্যাণেই কাজ করছে ‘সাংবাদিক কল্যাণ ট্রা

10

ইনকিলাব মঞ্চের নতুন চার দাবি

11

যে ৬৩ আসনে প্রার্থী দেয়নি বিএনপি

12

জোটসঙ্গীদের কথা মনে রেখেছে বিএনপি

13

আজ জানা যাবে শেখ হাসিনার রায় কবে

14

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা, কমবে তাপমাত্রা

15

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে ইইউ

16

দেশের পথে শহীদ ওসমান হাদির মরদেহ, সিঙ্গাপুরে হয়নি প্রথম জানা

17

ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামী মনোরমা বসুর স্মৃতিতে শিক্ষাবৃত্তি পেল

18

ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের নিন্দা ফখরুলে

19

যুদ্ধবিরতি ৪০০ বার লঙ্ঘন, গাজায় থামছেই না বর্বরতা

20
সর্বশেষ সব খবর