Deleted
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৫, ০১:১৪ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

জাতীয় লজিস্টিকস নীতি অনুমোদন, বাড়বে বিনিয়োগ ও রপ্তানি

জাতীয় লজিস্টিকস নীতি অনুমোদন, বাড়বে বিনিয়োগ ও রপ্তানি

সরকার ‘জাতীয় লজিস্টিকস নীতি-২০২৫’ অনুমোদন করেছে। নীতিমালাটি দেশের পরিবহন, সরবরাহ ও বাণিজ্য ব্যবস্থাকে আধুনিক, দক্ষ ও টেকসই করার লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৪৭তম বৈঠকে এই নীতি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘একটা নীতিমালা থাকলে সরকার তার কাজগুলো ঠিকভাবে করতে পারে, একটা নির্দেশনা পায়। আজকের নীতিমালাটি লজিস্টিক খাতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিকনির্দেশনা।’
তিনি আরো বলেন, ‘এই নীতিমালার ফলে বাংলাদেশের বেসরকারি ও সরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়বে।
বিদেশি বিনিয়োগ আসবে এবং বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের তুলনায় আরো বৃদ্ধি পাবে।’
প্রেসসচিব জানান, ‘বর্তমানে দেশের প্রধান নৌবন্দর চট্টগ্রাম বন্দরে কোনো কোনো সময় পণ্য রপ্তানিতে ১১ দিন পর্যন্ত সময় লাগে। এই লজিস্টিকস নীতিমালা বাস্তবায়ন করতে পারলে পণ্য পরিবহন ও প্রাপ্যতা অনেক দ্রুত হবে এবং রপ্তানি কার্যক্রম আরো সহজ হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘২০২৪ সালে এ ধরনের একটি নীতি করা হয়েছিল।
পরে তা পুনর্মূল্যায়ন করে দেখা যায়, সেটি প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। পরবর্তীতে জনপ্রশাসনসচিব এহসানুল হকের নেতৃত্বে একটি কমিটি নতুনভাবে খসড়া প্রণয়ন করে।’
নীতিমালার মূল লক্ষ্য সম্পর্কে প্রেসসচিব বলেন, ‘২০৫০ সালের মধ্যে লজিস্টিক খাতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে রেলওয়ে ও নৌপরিবহন খাতে। দেশের প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার নৌপথ রয়েছে, যার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।’
তিনি জানান, নীতিমালায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি (পিপিপি) মডেলে বিনিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে।
এর মাধ্যমে লজিস্টিক খাতকে একটি ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে আনা হবে, যেখানে শুল্ক, ফি, কাগজপত্রসহ সব কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।  স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হওয়ার পর বাংলাদেশ বিশ্ববাজারে বর্তমানে যে শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা পাচ্ছে, তা ধীরে ধীরে কমে আসবে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের দাম বাড়বে। এই অতিরিক্ত ব্যয় সামাল দেওয়া ও অন্যান্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রপ্তানি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নীতিটি সহায়তা করবে। সূত্র : বিএসএস।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জয়পুরহাটে নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

1

ঢাকা-১৫ আসনে মনোনয়নপত্র নিলেন জামায়াত আমির

2

জোবায়েদ হত্যাকাণ্ড, প্রধান সন্দেহভাজনকে থানায় দিলেন তাঁর মা

3

সেন্ট মার্টিনগামী জাহাজে ভয়াবহ আগুন, একজনের মৃত্যু

4

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশের চূড়ান্ত অনুমোদন

5

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন: ডাকসু ভিপি সাদিক ক

6

আমজনতার দলে যোগ দিলেন হিরো আলম

7

বিএনপি নেতাকর্মীদের পদত্যাগে হিড়িক: অস্থিরতা বাড়ছে দলে

8

২০২৫ সালে অবৈধ পথে ইউরোপে প্রবেশের শীর্ষে বাংলাদেশ

9

আবারও থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে সংঘাত, ঝুঁকিতে ট্রাম্পের

10

প্রচলিত তন্ত্রমন্ত্র দিয়ে দেশে শান্তি ফিরবে না: জামায়াত আমির

11

রাজাকার বলায় জামায়াত-বিএনপি কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ১৫

12

সাভারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল হাসপাতাল

13

মুসলিম শিক্ষার্থী বেশি হওয়ায় ভারতে মেডিকেল কলেজের স্বীকৃতি ব

14

২০ শতাংশ ভাতার দাবিতে উত্তাল সচিবালয়, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ

15

শাহবাগ থেকে শুরু হলো ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’

16

ব্যাংক বন্ধ আজ, নতুন নির্দেশনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

17

রাজধানীতে সিএনজি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, শিক্ষার্থীসহ নিহত ২

18

খালেদা জিয়ার শেষ যাত্রায় লাখো মানুষের অশ্রুসিক্ত ভালোবাসা

19

সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবিক উদ্যোগে মারিশ্যা জোন

20
সর্বশেষ সব খবর